কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০৮:৩৯ PM

প্রকল্পের নামঃ “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন (১ম সংশোধিত)”

কন্টেন্ট: পাতা

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)

প্রকল্পের নামঃ “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন (২য় সংশোধিত)”

 

প্রকল্প মেয়াদ

মূলঃ জানুয়ারি ২০২১- জুন ২০২৪

১ম সংশোধিতঃ জানুয়ারি ২০২১ - জুন ২০২৫

২য় সংশোধিতঃ জানুয়ারি ২০২১- জুন ২০২৭

অর্থায়নের উৎস ও ধরণ

জিওবি (৬৭% ঋণ ও ৩৩% ইক্যুইটি) এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থ

প্রাক্কলিত ব্যয় (কোটি টাকায়)

মূলঃ ৬৯৩.১৭ কোটি (জিওবিঃ ৩৯২.৩৪ কোটি ও স্ব-অর্থায়নঃ ৩০০.৮৩)

১ম সংশোধিতঃ ১০৫৫.২৪ কোটি (জিওবি: ৪৭৬.২২ কোটি ও স্ব-অর্থায়নঃ ৫৭৯.০২)

২য় সংশোধিতঃ ১২৮৫.৭৫ কোটি (জিওবি: ৪৭৬.২২ কোটি ও স্ব-অর্থায়নঃ ৮০৯.৫৩)

প্রকল্প এলাকা

তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (SMW6) কক্সবাজার থেকে একদিকে সিঙ্গাপুর ও অন্যদিকে ফ্রান্স পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এবং কোর ক্যাবলের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, ভারত, জিবুতি ও ফ্রান্সের স্বণামধন্য ডাটা সেন্টারে যুক্ত হওয়া সম্ভব হবে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য

বাংলাদেশের জন্য নির্ভরযোগ্য ও কার্যকরী আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো হিসেবে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেম স্থাপন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধিসহ দেশের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পাবে যা পরোক্ষভাবে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক হবে ।

প্রভাব

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত সেবাসমূহ যেমন কলসেন্টার, ডাটাএন্ট্রি, সফটওয়্যার রপ্তানি ইত্যাদি বিকাশের জন্য এবং ভবিষ্যতে 5G ও IoT সেবা চালুর ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পের অগ্রগতি

 প্রকল্পের মূল কাজ অর্থাৎ সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের কাজ SEA-ME-WE 6 (SMW6) নামক কনসোর্টিয়ামের আওতায় সম্পাদিত হচ্ছে। SMW6 কনসোর্টিয়াম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান SubCom কে SMW6 ক্যাবল সরবরাহ এবং আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি স্থাপন কাজের ঠিকাদার হিসাবে নির্বাচিত করেছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের স্থাপন কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে এবং সর্বমোট SMW6 ক্যাবল এর প্রায় ৬২% স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ক্যাবলটির মাধ্যমে কক্সবাজার হতে সিঙ্গাপুর ও মুম্বাই/ফ্রান্স প্রান্তে সর্বমোট প্রায় ৩০,০০০ জিবিপিএস ক্যাপাসিটি পাওয়া যাবে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকে ক্যাবলটির মাধ্যমে সেবা প্রদান শুরু করা সম্ভব হবে।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন